প্রচ্ছদ রান্না-বান্না মজাদার ও হেলদি খাবার: মাশরুম নুডলস স্যুপের রেসিপি

মজাদার ও হেলদি খাবার: মাশরুম নুডলস স্যুপের রেসিপি

52
মজাদার ও হেলদি খাবার: মাশরুম নুডলস স্যুপের রেসিপি

স্যুপ খুব মজার ও হেলদি একটি খাবার। যাঁরা স্বাস্থ্য সচেতন, তাঁদের জন্য এটা খুবই উপকারী। তো আর দেরি না করে চলুন,

দেখি কীভাবে তৈরি করবেন মাশরুম নুডলস স্যুপ।

উপকরণ

১. মাশরুম এক কাপ

২. সিদ্ধ নুডলস আধা কাপ

৩. ক্যাপসিকাম কোয়ার্টার কাপ

৪. ব্রকলি কোয়ার্টার কাপ

৫. গাজর কোয়ার্টার কাপ

৬. সাদা তিল এক চা চামচ

৭. পনির আধা কাপ

৮. সয়াসস এক টেবিল চামচ

৯. সেলারি কুচি কোয়ার্টার কাপ

১০. কর্নফ্লাওয়ার এক টেবিল চামচ

১১. ভেজিটেবল স্টক তিন কাপ

১২. গোলমরিচ কোয়ার্টার চা চামচ

১৩. আদা থেঁতো এক চা চামচ

১৪. রসুন থেঁতো এক চা চামচ

১৫. চিলি সস দুই টেবিল চামচ

১৬. চিনি আধা চা চামচ

১৭. লবণ স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রণালি

প্যানে তেল গরম করে থেঁতো করা আদা-রসুন দিয়ে নেড়ে নিন। এবার এতে সাদা তিল ও সেলারি পাতা দিয়ে এক মিনিটের মতো ভেজে নিন। এখন চিনি, লবণও দিয়ে দিন। এবার এতে গাজর, ব্রকলি, মাশরুম দিয়ে নেড়ে নিয়ে ভেজিটেবল স্টক ও অল্প পানি দিয়ে দিন। স্যুপ ফুটতে শুরু করলে এতে চিলি সস, সয়াসস, ক্যাপসিকাম, নুডলস ও পনির দিয়ে আরো দুই থেকে তিন মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার একটি বাটিতে কর্নফ্লাওয়ার পানি দিয়ে গুলিয়ে নিয়ে স্যুপে দিয়ে দিয়ে। স্যুপ আরো একটু ফুটিয়ে ঘন করে নিন। এরপর নামিয়ে পরিবেশন করুন।

সাতদিন খালি পেটে রসুন-মধু খেলে কী হয়?

কেবল খাবার হিসেবে নয়, বহুকাল আগে থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করে আসছে।

প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার করত। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেতেন। প্রাচীন চীন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ভারতে হৃদরোগ ও গাঁটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।

আবার বিভিন্ন দেশে রোগ নিরাময়কারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসঙ্গে হয়, তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।

রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট রাইস আর্থ জানিয়েছে মধু ও রসুনের এই মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি।

উপাদান

একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম, মধু, তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো বের করুন।)

প্রণালি

প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।

প্রতিদিন খালি পেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠান্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।