প্রচ্ছদ স্পটলাইট যে কারণে খালেদার লবিস্ট কার্লাইলকে ভিসা দেয়নি দিল্লি

যে কারণে খালেদার লবিস্ট কার্লাইলকে ভিসা দেয়নি দিল্লি

164
যে কারণে খালেদার লবিস্ট কার্লাইলকে ভিসা দেয়নি দিল্লি

দিল্লিতে এসে কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে লবিং করার কথা ছিল ব্রিটিশ আইনজীবী ও হাউস অব

লর্ডসের সদস্য লর্ড কার্লাইলের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে ভিসা দেয়নি ভারত।

এ সম্পর্কে একটি অভিযোগ শোনা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সরকারের আপত্তির কারণেই নাকি দিল্লি কার্লাইলকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। ঘটনা আসলে তা নয়। কার্লাইলকে ভারতের ভিসা না দেওয়ার আসল কারণ হলো, জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা। ইসলামিক ফ্যানাটিকদের সঙ্গে কার্লাইলের যোগসাজশ পেয়েছে ভারত।

ভারতের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম এবং তার ডান হাত হিসেবে পরিচিত ছোটা শাকিলের লন্ডনে অবস্থানের বিষয়েও এক সময় সহযোগিতা করেছিলেন লর্ড কার্লাইল। দাউদ ইব্রাহিমের মতো মাফিয়া ডন ও তাঁদের দোসরদের ব্যাপারে ভারত সরকারের অবস্থান সবসময়ই কঠোর। আর কারণেই লর্ড কার্লাইলকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই একই কারণে দুবাইয়ের আট-দশজন আইনজীবীকেও কখনো ভারতের ভিসা দেওয়া হয় না।

বরাবরই উপমহাদেশের জঙ্গিবাদী ও বিতর্কিতদের যুক্তরাজ্যে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছেন লর্ড কার্লাইল। এর আগে বাংলাদেশে একাত্তরের মানবতা বিরোধীদের বিচার চলাকালীন সময়েও যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থন করতে দেখা গিয়েছিল লর্ড কার্লাইলকে।

মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে সুপ্রিম কোর্ট কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন লর্ড কার্লাইল। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থনে কাজ করার জন্য বিশ্বজুড়েই সমালোচিত ব্রিটিশ এই আইনজীবী।

এবার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হিসেবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন লর্ড কার্লাইল।

এ উদ্দেশ্যে দিল্লির সাউথ এশিয়া ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবকে (এফসিসি) বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তবে ভিসা না পাওয়ায় তাঁর সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলো। আর এ ভিসা না দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণই ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো সুযোগ ছিল না।