বাড়ি বাংলাদেশ *এই সোহেল, আমি শাহ আলম, দেখে যা *

*এই সোহেল, আমি শাহ আলম, দেখে যা *

কাউন্সিলর সোহেল হ'ত্যা'র ঘটনার চা'ঞ্চল্যকর 'তথ্য

53

*কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র সৈয়দ মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে গু’লি ক’রে হ’ত্যার ঘ’টনায় চা’ঞ্চল্যকর ত’থ্য দিয়েছেন গু’লিবি’দ্ধ মো. বাদল। ঘটনার সময় তিনি সোহেলের সঙ্গেই কাউন্সিলর কার্যালয়ে বসা ছিলেন। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গু’লিতে আ’হত মো. বাদল পুলিশ ও সাংবাদিকদের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, ‘প্রতিদিনের মতো বিকেলের এই সময়টাতে কাউন্সিলর সোহেল ভাইয়ের কার্যালয়ে বসে ছিলাম। *

*বিকালে সোহেল ভাই কার্যালয়ে এলে একসঙ্গে বাইরে ঘোরাফেরা করি। সোমবার কার্যালয়ে সোহেল ভাই, আমিসহ ছয় জন বসে কথা বলছিলাম। বাইরে ঘুরতে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি সবাই। এ সময় পি’স্তল হা’তে কা’র্যালয়ে ঢুকে পাঁচ জন। সবার মুখে মু’খোশ, মা’থায় হেলমেট এবং পরনে কালো পোশাক ছিল। র‌্যাব পরিচয় দিয়ে প্রথমে সোহেল ভাইয়ের মা’থায় গু’লি চালায়। পরে আমাদের ও’পর গু’লি চা’লায়।*

*সোহেল ভাই মা’টিতে প’ড়ে গে’লে তাকে আরও দু’টি গু’লি চা’লায়। বাদল বলেন, ‘গু’লি চা’লানোর সময় তারা কথা বলেছে। কণ্ঠ শুনে দুই জনকে চিনতে পেরেছি। তারা হলো নবগ্রামের শাহ আলম ও তার সহযোগী একই এলাকার সোহেল। শাহ আলমের কণ্ঠ আমার পরিচিত। সোহেল কথা বলার মাঝে তোতলামি করেছে। বাকি তিন জনকে চিনতে পারিনি।’ বাদল আরও বলেন, ‘গু’লিবি’দ্ধ হয়ে আমি সোহেল ভাইয়ের পাশে শুয়ে পড়ি। *

*তখন দেখেছি সোহেলের মৃ’ত্যু নি’শ্চিত করার জন্য বু’কে শে’ষ গু’লিটি ক’রেছে শাহ আলম। সেই সঙ্গে বু’কে লা’থি মেরেছে। এরপর মু’খের মু’খোশ উঁচু করে বলেছে, এই সোহেল, আমি শাহ আলম, দেখে যা।’ বাদল বলেন, হ’ত্যাকা’ণ্ডে অংশ নেওয়া ৫ জনের বিষয়ে ‍পুলিশকে জানিয়েছি। দুইজনের পরিচয়ও বলেছি। এদিকে সোমবার বিকেলে ঘটনার পর কাউন্সিলর কার্যালয়ের সিসিটিভির ফুটেজ এবং একাধিক আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ও র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সংস্থা।*

*ঘটনার ক্’লু উদঘাটনে কাজ করছেন তারা। স্থানীয় একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হা’মলাকা’রীদে’র টার্গেট ছিল কাউন্সিলর সোহেল। এঘটনার পেছনে রয়েছে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, মা’দক, গোমতী নদীর মাটি ও বালু ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুর রহীম বলেন,*

*কাউন্সিলর সোহেলসহ দুই জন নি’হতে’র ঘটনায় পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এখনও পরিবারের পক্ষ থেকে মা’মলা করা হয়নি। অন্যদিকে ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় রাতে হা’মলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও কেউ অভিযোগ দেয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে পুলিশ।*

পূর্ববর্তী নিবন্ধ*মিটার টেম্পারিং করে ডিপিডিসির ষ্টোর কিপারের ১০ তলা বাড়ি*
পরবর্তী নিবন্ধ*মালিকপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় তাজরীন ফ্যাশনসের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার বিচার হয়নি*